আমাদের সম্পর্কে
বাংলাদেশ দারিদ্র্য নিরসন উন্নয়ন সোসাইটি (BPRDS) একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও মানবকল্যাণে নিবেদিত জাতীয় উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান। আমাদের জন্ম মানুষের কল্যাণের জন্য, সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য, এবং এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে। যেখানে কেউ পিছিয়ে থাকবে না, আর দারিদ্র্য হবে কেবল ইতিহাসের অংশ।
আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন মানুষ নিজেই নিজের পরিবর্তনের অংশীদার হয়। তাই আমাদের কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মানুষ, বিশেষ করে সমাজের দরিদ্র, প্রান্তিক, নারী, শিশু ও তরুণ প্রজন্ম, যারা একটু সহায়তা পেলে নিজেরাই নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম।
আমাদের যাত্রা শুরু হয় এক সহজ কিন্তু গভীর বিশ্বাস থেকে:
“মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সেবাই মানবতার শ্রেষ্ঠ রূপ।”
এই বিশ্বাস থেকেই আমরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, এবং একটি টেকসই, স্বনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
বাংলাদেশ দারিদ্র্য নিরসন উন্নয়ন সোসাইটি (BPRDS) স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী চিন্তা ও আন্তরিকতার সমন্বয়ে এক নতুন উন্নয়নধারা তৈরি করছে। আমরা বিশ্বাস করি, পরিবর্তন তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনে। তাই আমাদের প্রতিটি প্রকল্প ও উদ্যোগ মানুষের প্রয়োজন, তাদের সংস্কৃতি ও তাদের স্বপ্নের সাথে সংযুক্ত। আমরা কাজ করি শুধুমাত্র সহায়তা দেওয়ার জন্য নয়, বরং মানুষকে নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার জন্য।
আমাদের লক্ষ্য শুধু দারিদ্র্য দূর করা নয়। বরং মানুষের মর্যাদা, অধিকার ও আত্মসম্মান পুনঃস্থাপন করা। আমাদের মূল নীতিমালা হলো
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, মানবিকতা ও ন্যায়বিচার, অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন, টেকসইতা ও পরিবেশ সংরক্ষণ, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বর্তমানে আমরা দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, মোকাবিলা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ নানা ক্ষেত্রে কাজ করছি।
আমাদের লক্ষ্য আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি বিভাগে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে জাতীয় উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি –
“দারিদ্র্য দূরীকরণ শুধু অর্থনৈতিক কাজ নয়; এটি নৈতিক দায়িত্ব, সামাজিক আন্দোলন এবং মানবিক জাগরণের এক মহাযাত্রা।”